ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৪ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটিতে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর ফলে রাজধানী কারাকাসে অনেক বহুতল ভবন ধসে পড়েছে এবং দেশজুড়ে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আহত হয়েছেন আরও প্রায় এক হাজার মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
এ ছাড়া তীব্র কম্পনে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কারাকাসের প্রধান বিমানবন্দর ‘সিমোন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

কারাকাসের এক বাসিন্দা রোবার্তো গামাস জানান, ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার সময় তিনি কোনোমতে তার ভবন থেকে অক্ষত অবস্থায় বের হতে পেরেছিলেন।
তিনি বলেন, ‘ভবনটি এপাশ-ওপাশ দুলছিল। এটি সত্যিই অবিশ্বাস্য ছিল। ভাগ্যবশত, তখন ভবনের ভেতরে খুব বেশি মানুষ ছিল না। বাইরে বের হওয়ার জন্য মানুষের যে হুড়োহুড়ি আর আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল, তা কি আপনি কল্পনা করতে পারেন?’

উদ্ধারকারীরা অন্ধকারের মধ্যেই ধসে পড়া ভবনগুলোর ওপর দিয়ে গিয়ে জীবিতদের সন্ধান করছিলেন এবং ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তাদের টেনে বের করার চেষ্টা করছিলেন।
দেশটির ইতিহাসে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার এই ভূমিকম্পটি ছিল ১৯০০ সালের ২৯ অক্টোবরের পর সবচেয়ে শক্তিশালী। ওই সময় দেশটির উপকূলবর্তী অঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি তীব্র ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। সূত্র: আল-জাজিরা


