বাংলাদেশে আঘাত হানা ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় সমবেদনা জানিয়েছে জাতিসংঘ। শুক্রবার ঢাকায় জাতিসংঘ কার্যালয় তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছে, তারা ভূমিকম্পের পুরো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত সকলের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করছে।
এদিকে সমবেদনা জানিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসও। তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে লেখা হয়, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত সবার প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাই।
এদিন সকালে ১০টা ৩৮ মিনিটে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনুভূত হওয়া এই ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৫.৫ বলে জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মাত্রা ছিল ৫.৭। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর ঘোড়াশাল থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে, ভূমিপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুরান ঢাকার বংশালে তিনজন, মুগদার মদিনাবাগ এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের রেলিং ধসে পড়ে নিরাপত্তাকর্মী মাকসুদ মারা যান। নারায়ণগঞ্জে একজন এবং নরসিংদীতে পাঁচজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে। আহত হয়েছেন অর্ধশত মানুষ।
এদিন শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারত ও পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি অঞ্চলে কম্পন টের পাওয়া যায়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, পাকিস্তানেও ভোরে ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার কেন্দ্রস্থল ছিল ভূমিপৃষ্ঠ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার গভীরে।
এর আগে, চলতি বছরের ৫ মার্চ ঢাকায় ৫.৬ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। তার আগের ২৯ মে ভারতের মণিপুরের মোইরাং এলাকার কাছে হওয়া আরেক ভূমিকম্প দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলসহ ঢাকায় হালকা কম্পন সৃষ্টি করেছিল।


