ফরিদপুরে গোয়েন্দা পুলিশ আটকের পর মারা যাওয়া ছাত্রলীগ কর্মী মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্তর পরিবারকে ৫ কোটি টাকা কেন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
আইন ও সালিস কেন্দ্রের করা একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী এবং বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করে।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহীন আহমেদ।
জানা গেছে, ২০ জুন ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল মধুখালীর গোন্দারদিয়া গ্রাম থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ প্রান্তকে আটক করে। পরে তাকে মধুখালী থানায় নেওয়া হয়। পরবর্তীতে মাদক সংক্রান্ত আরও কয়েকটি অভিযানের পর তাকে ফরিদপুরে নিয়ে ডিবি হেফাজতে রাখা হয়।
পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তার মৃত্যুর খবর পান স্বজনরা। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত মধুখালী পৌরসভার গোন্দারদিয়া এলাকার মির্জা এসকেন্দারের ছেলে এবং ফরিদপুর আইন মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।
তবে পুলিশ বলছে, হেফাজতে থাকা অবস্থায় প্রান্ত অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুন তার মৃত্যু হয়।


