ভারত যতদিন টুকরো টুকরো না হবে, ততদিন বাংলাদেশে পুরোপুরি শান্তি আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল(অব.) আবদুল্লাহিল আমান আযমী।
মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ভারত সবসময় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অশান্তি জিইয়ে রাখে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ২৮ বছর পূর্তিকে সামনে রেখে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এই আলোচনা সভা আয়োজন করে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ।
আযমী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকেও অশান্ত করার পেছনে ছিল ভারত। বঙ্গবন্ধু সরকারের আমলে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি গঠন করা হয়। এদেরই সশস্ত্র শাখা ছিল শান্তি বাহিনী। ভারত তাদেরকে আশ্রয়, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সহায়তা করে। যার ফলে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত পাহাড়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলে।
প্রায় তিন দশক আগে ১৯৯৭ সালে করা পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির সমালোচনা করেন জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত নেতা গোলাম আযমের ছেলে এই সাবেক সেনা কর্মকর্তা। তিনি একে ‘তথাকথিত’ আখ্যা দিয়ে বলেন, সেদিন খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে শান্তি বাহিনীর অস্ত্র জমাদান ছিল লোক দেখানো। ভেতরে ভেতরে তাদের সশস্ত্র কার্যক্রম চালু ছিল এবং ইউপিডিএফ-কে সংগঠিত করা হয়েছিল।
গত সরকারের আমলে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে প্রায় দুই শ’ সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহারের কঠোর সমালোচনা করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল(অব) আযমী। তিনি বলেন, ক্যাম্প সরিয়ে নেওয়ায় সন্ত্রাসীদের কার্যক্রম বেড়েছে এবং নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অবিলম্বে সেখানে চার ব্রিগেড সেনা মোতায়েনেরও দাবি জানান আবদুল্লাহিল আমান আযমী।


