পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের মামলায় ৬৮ বছর বয়সী ভারতীয় নাগরিক সখিনা বেগমের জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত।
রোববার ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক সুবীর কুমার ঘোষ।
তিনি জানান, সখিনা বেগম যে বাসায় ছিলেন ওই বাসার লোকদের জিম্মায় তাকে জামিন দিয়েছে আদালত।
এদিন সখিনা বেগমের পক্ষে অ্যাডভোকেট রহমাতুল্যাহ সিদ্দিক জামিন চেয়ে শুনানি করেন।
তিনি বলেন, ‘মামলাটি জামিনযোগ্য। সখিনা বেগম ইচ্ছে করে এদেশে আসেননি। জোর করে (পুশ-ইন) তাকে পাঠানো হয়েছে। শুনানি শেষে আদালত সখিনা বেগমকে আশ্রয় দেওয়া ক্লান্তি আক্তার, তার মা মোছাম্মৎ জাকিয়া এবং খালা ময়না আক্তারের জিম্মায় জামিনের আদেশ দেন। সোমবারই কারামুক্ত হবেন সখিনা বেগম।’
জানা যায়, পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য ‘দ্য কন্ট্রোল অব এন্ট্রি অ্যাক্ট, ১৯৫২’ এর অধীনে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। তবে মামলায় তার নাম ‘সখিনা’ লেখা হয়। এরপর তাকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। এরপর কয়েক দফা জামিন আবেদন করলে তা নাকচ করা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২৫ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে সখিনাকে ভাসানটেক থানার টিনশেড টেকপাড়া গলির মাথায় পাওয়া যায়। জিজ্ঞাস করা হলে তিনি নিজেকে ভারতের নাগরিক বলে দাবি করেন।


