কুষ্টিয়ায় একটি ভাড়া বাসা থেকে এক মেডিকেল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম সামিয়া নিঝুম (২০), তিনি কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষে পড়তেন।
রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে কুষ্টিয়া সদর থানার হাউজিং ই-ব্লক এলাকার একটি সাততলা ভবনের চারতলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিঝুম পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার ছোট শালিখা এলাকার মো. আব্দুস সালামের মেয়ে। পড়াশোনার জন্য তিনি কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের কাছে ওই বাসার একটি কক্ষে একাই থাকতেন।
বাসাটির কেয়ারটেকার রিয়াজ উদ্দিন জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যার দিকে নিঝুমের বাবা মোবাইলে যোগাযোগ করে মেয়ের খোঁজ নিতে বলেন। এ সময় পাশের কক্ষের এক ছাত্রীসহ নিঝুমকে অনেক ডাকাডাকির পরও তার কোনো সাড়া না পাওয়ায় পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
নিঝুমের পাশের কক্ষে থাকা মেডিকেল শিক্ষার্থী জানান, নিঝুম প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ওই কক্ষে ওঠেন। ঘটনার সময় তারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করতে না পারায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম জানান, নিঝুম খুব ভালো ছাত্রী ছিলেন। আর এক বছর পরই তার এমবিবিএস কোর্স শেষ হওয়ার কথা ছিল।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন মাতুব্বার বলেন, ‘নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’
প্রাথমিকভাবে এটি একটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।


