চীন ও বাংলাদেশের হাজার বছরের সাংস্কৃতিক বন্ধন ও ঐতিহ্যভিত্তিক সম্পর্ক উদ্যাপন করতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে শুরু হয়েছে ‘চীনা বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সপ্তাহ’।
দুদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আর মজুবত করতে ‘মিলেনিয়াম কালচারাল বন্ডস’ চীন-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময় মাসের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিবিশন গ্যালারিতে এই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সপ্তাহ আয়োজিত হচ্ছে।
সম্প্রতি এ আয়োজনের উদ্বোধন করা হয় এবং চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। মঙ্গলবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনেসকোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. সুসান ভাইজ, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মো. ওয়ারেস হোসেন, জাতীয় গ্রন্থাগারের পরিচালক আরিফুল হক ও চীনা দূতাবাসের সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা লি শাওপেং।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চীনা বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মনোনীত বাহক হান ঝিকিয়াং ও ইয়ুয়ান শিউহুয়ান, বাংলাদেশ-চীন সাংস্কৃতিক সহযোগিতায় যুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং দেশি-বিদেশি অতিথিরা।
এ সময় বক্তারা বক্তব্যে বলেন, চীন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক শুধু কূটনৈতিক নয়, এটি এক হাজার বছরের পুরনো সাংস্কৃতিক বন্ধনের সোপান। এই ঐতিহ্য মানবিকতায় গাঁথা, ভাষা ও সংস্কৃতিতে মিলিত।
বক্তারা আরও বলেন, বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দুই জাতির মাঝে সময়ের সেতু রচনা করেছে—যেখানে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ একসূত্রে গাঁথা।
চীন বর্তমানে ইউনেসকো স্বীকৃত সর্বাধিক ৪৪টি বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অধিকারী দেশ। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া চীনা প্রতিনিধিরা ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র গুচেং ও এরহুর পরিবেশনার মাধ্যমে দেশটির সংস্কৃতিকে দর্শনার্থীদের সামনে জীবন্ত করে তোলেন। এ ছাড়াও মার্শাল আর্ট প্রদর্শনী দর্শকদের মুগ্ধ করে।


