সারা দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে এবং লোডশেডিং কমে ৩৩৯ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। দেশের কিছু কিছু জায়গায় কিছুটা লোডশেডিং থাকবে এবং তা কমানোর চেষ্টা চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সোমবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, সোমবার দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৮৩৯ মেগাওয়াট। উৎপাদন ছিল সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াট। অর্থাৎ ৩৩৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিল।
তিনি বলেন, রোববার পরিস্থিতি খারাপ ছিল। তবে সেখান থেকে উত্তরণ করতে পেরেছি। দুটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ থাকায় প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন কমে যায়। এতে লোডশেডিং বেড়ে যায়।
বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, ‘বন্ধ থাকা দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে সোমবার থেকে উৎপাদন শুরু হয়েছে। আজকে আনন্দের সঙ্গে জানাতে পারি, এখন আমাদের উৎপাদন ১৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট, কিন্তু চাহিদা ১৪ হাজার ৮৩৯ মেগাওয়াট। এখন লোডশেডিং হবে ৩৩৯ মেগাওয়াট।’
তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু জায়গায় লোডশেডিং থাকবে। ঢাকায়ও লোডশেডিং দিতে হবে। তবে লোডশেডিং যাতে না থাকে সেজন্য সচেষ্ট আছি।’
উল্লেখ্য, লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে রোববার অন্তত সাত জেলায় গ্রাহকরা বিক্ষোভ করেছেন। নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় পল্লী বিদ্যুতের অফিসে ভাঙচুর করা হয়। এই উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ২৭ মেগাওয়াট। সরবরাহ ছিল ৯ মেগাওয়াট।


