বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণ না করায় সড়কের কাজে ধীরগতি

বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণ না করায় সড়কের কাজে ধীরগতি
ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

সুনামগঞ্জে যানজট নিরসন ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে চলছে চার লেন সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প। তবে সড়কের মাঝখানে শতাধিক বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই চলছে পিচ ঢালাইয়ের কাজ। এতে প্রকল্পের গতি কমে যাওয়ার সঙ্গে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। দ্রুত খুঁটি অপসারণ করে কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সুনামগঞ্জ শহর থেকে হাসন তোরণ পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ শুরু হয়েছে। ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘জেবি’ ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এই কাজ করছে।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ জানায়, প্রশস্তকরণ এলাকার মাঝখানে থাকা পিডিবির খুঁটিগুলো স্থানান্তরের জন্য ২০২৪ সালের জুন মাসে বিদ্যুৎ বিভাগকে ৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী টাকা পাওয়ার পরপরই স্থানান্তর করার কথা থাকলেও বিদ্যুৎ বিভাগের ঠিকাদারের গাফিলতিতে কাজটি ঝুলে আছে।

সুনামগঞ্জ শহরের মল্লিকপুর থেকে ওয়েজখালি পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন বিপজ্জনক মোড়ে খুঁটিগুলো দাঁড়িয়ে আছে। রাতের অন্ধকারে দ্রুতগামী যানবাহন এসব খুঁটির কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।

মল্লিকপুর আবাসিক এলাকার বাসিন্দা আব্দুল কাদির বলেন, ‘এই সড়কটি চারলেন হওয়া শহরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। কিন্তু কাজ ধীরগতিতে চলছে। দ্রুত কাজ শেষ হলে আমরা যানজট থেকে মুক্ত হতে পারব।’
ওয়েজখালি এলাকার বাসিন্দা সেবুল মিয়া বলেন, ‘বিদ্যুতের খুঁটি এখনো অপসারণ করা হয়নি। খুঁটি থাকার কারণে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

আরও পড়ুন

প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী গোলাম আজম ছিদ্দিকী জানান, বৈদ্যুতিক খুঁটির কারণে কাজ কিছুটা ধীরগতিতে চলছে। তবুও নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করার চেষ্টা করছেন তারা।

সওজ-এর নির্বাহী প্রকৌশলী ড. আহাদ উল্লাহ বলেন, ‘বিদ্যুৎ বিভাগকে বারবার তাগিদ দেওয়া সত্ত্বেও খুঁটি অপসারণ না করায় কাজের গতি কমেছে।’

সুনামগঞ্জ বিদ্যুৎ ও বিপণন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রাসেল আহামাদ জনভোগান্তির অজুহাত দিয়ে বলেন, ‘জনভোগান্তি এড়াতে ধীরে খুঁটি অপসারণ করা হচ্ছে। শিগগিরই অপসারণের কাজ পুরোদমে শুরু হবে।’

১৪৫ কোটি টাকার এই চারলেন প্রকল্পের কাজ ২০২৫ সালের জুলাই মাসে শুরু হয়েছে। এটি ২০২৭ সালের জুন মাসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad