বিতর্কের পর ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ের দেয়াল থেকে নতুন লোগো সরিয়ে নিয়েছে দলটি।
সোমবার জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে দেখা করতে যান ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কারমা হামু দর্জি। সে সাক্ষাতের যে ছবি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে সেখানে জামায়াতের নতুন লোগোটি ছিল না।
রোববার জামায়াত আমিরের সঙ্গে স্পেনের রাষ্ট্রদূত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদলের আলাদা দুটি বৈঠকে নতুন লোগো দেখা যায়। সেই লোগোতে ছিল সবুজ পতাকায় বই ও উদীয়মান সূর্য, তার ওপর কলম দেখা যায়। দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লার দণ্ড হিসেবে কলমটি ব্যবহৃত হয়েছে।
দলের এর আগের লোগোতে একটি গম্বুজের মতো কাঠামো ছিল। গম্বুজের ভেতরে ‘আল্লাহ’ লেখা ছিল। এর মধ্যে ছিল দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা। নিচে ‘আকিমুদ দ্বীন’ (দ্বীন কায়েম কর) কথাটি লেখা ছিল।
নতুন লোগো থেকে ‘আল্লাহ’ শব্দটি সরিয়ে নেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। জামায়াত ‘পশ্চিমা’ দেশগুলোর সুনজরে আসতে লোগো থেকে ‘আল্লাহ’ লেখা সরিয়ে নিয়েছে এমন সমালোচনাও ওঠে। একটি পক্ষ বলতে শুরু করেন, জাতীয় পতাকার লাল-সবুজ রঙ ব্যবহারের মাধ্যমে জামায়াত পরিবর্তনের পথে হাঁটতে চাইছে। তবে দলের কোনো নেতাই নতুন লোগোর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেননি। কেবল বলা হয়েছিল, লোগো এখনো চূড়ান্ত হয়নি, ভুলবশত ছবিটি গণমাধ্যমে এসেছে।
দলটির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন লোগো উন্মোচন করা হবে।
সোমবার ভুটানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন দূতাবাসের কাউন্সিলর জিগড্রেল ওয়াই শেরিং।
বৈঠকে জামায়াত আমির ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- দলটির সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল, কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং জামায়াতের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মাহমুদুল হাসান।


