বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বিএনপির মধ্যে স্বৈরাচারী মনোভাব নেই। এই দলের মধ্যে সন্ত্রাসী ও কর্তৃত্ববাদী মনোভাব অতীতেও ছিল না, এখনো নেই।
শুক্রবার সকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার গরিনগর স্কুল মাঠে বাংগাখাঁ ইউনিয়ন বিএনপি ও মহিলা দলের আয়োজনে ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ্যানি বলেন, ‘বিএনপি হলো গণমানুষের দল। আর জিয়াউর রহমান ছিলেন গ্রাম ও গণমানুষের নেতা। দেশের জন্য বিএনপি ক্ষতিকর নয়, বরং একটি ভালো রাজনৈতিক দল। এতো অত্যাচার-নির্যাতন, হামলা-মামলা ও গুম খুনের শিকার হয়েও বিএনপি কারো ক্ষতি করেনি।’
বিএনপির এই যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হত্যার পিছনে খুনি শেখ হাসিনা ও পার্শ্ববর্তী একটি দেশের হাত রয়েছে। বিশ্বের ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের জানাজার মতো এতো বড় জানাজা আর হয়নি। এতে জনপ্রিয় নেতা হওয়া সত্ত্বেও তাকে বাঁচতে দেওয়া হয়নি। তার দলে খারাপ মানুষ থাকতে পারে না। তিনি কখনও খারাপ মানুষকে প্রশ্রয় দেয়নি। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন।’
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বর্তমানেও কেউ কেউ দুষ্টামি করেন বা করতে চেষ্টা করেন। এগুলো পরিহার করুন। নয়তো বিএনপি বা অঙ্গসংগঠনে তার স্থান হবে না। এটা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কঠোর নির্দেশনা। তারেক রহমান বিদেশে বসে সকল দলের রাজনীতিবিদ বা দেশের মানুষকে একত্রিত করেছেন। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন। আগামীতে দেশের নেতৃত্বে দেবেন তারেক রহমান।’
শেখ হাসিনার ষড়যন্ত্র থামেনি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন-সংগ্রামের মুখে হাসিনা পালিয়ে গেছে। এখন অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনা করছে। দেশে একটা স্বাভাবিক নির্বাচনের পরিবেশ থাকবে। নির্বাচনী আবহাওয়া তৈরি হয়েছে। কিন্তু নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত আমাদের খুব সজাগ এবং সতর্ক থাকতে হবে। নির্বাচিত সংসদ বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি খুবই প্রয়োজন।’


