বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভ

বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভ
ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

দুর্নীতির মাধ্যমে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের একাংশ।

তাদের অভিযোগ, রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগে যোগ্যতা ও পেশাগত অভিজ্ঞতার বদলে অর্থনৈতিক লেনদেন এবং বিশেষ সুবিধাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

রোববার অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের সামনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে এমন অভিযোগ করেন তারা।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যানারে আয়োজিত ওই প্রতিবাদ সমাবেশে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের একাংশ অভিযোগ করেন, নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়ায় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় এবং অতীতে জেল-জুলুমের শিকার অনেক যোগ্য আইনজীবীকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, তাদের পরিবর্তে অর্থের বিনিময়ে এবং ‘গুপ্ত-সুপ্ত’ সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

বিক্ষোভকারীরা নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানান। তাদের বক্তব্য, রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আইনজীবী নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, পেশাগত দক্ষতা এবং আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা বিবেচনায় নেওয়া উচিত ছিল। তাদের অভিযোগ, এবার সেই মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়নি।

সমাবেশ চলাকালে আইনজীবীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। তারা বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল করে যোগ্য এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পৃক্ত আইনজীবীদের নিয়োগের দাবি জানান।

সমাবেশে বক্তব্য দেন আইনজীবী আকতার হোসেন, শরীফ ইউ আহমেদ, আইয়ূব আলী আশরাফী, মাসুদ রানা, আশিক নজরুল, মো. ইসা, এবিএম ইব্রাহীম খলিল, আনিসুর রহমান খান, জহিরুল ইসলাম সুমন ও আনোয়ারা শিখাসহ অন্যরা।

এর আগে, ৩০ জুলাই, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপন দুটির মাধ্যমে পূর্ববর্তী সব ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে নতুন করে ৮৬ জনকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জনকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

নতুন নিয়োগের পরই নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নির্বাচনের মানদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের এই অংশ। তাদের দাবি, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ আইন কর্মকর্তার পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও পেশাগত আনুগত্যের পরিবর্তে যোগ্যতা, ত্যাগ এবং পেশাগত দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad