বাগেরহাটের মোংলা-খুলনা মহাসড়কে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি বাস ও যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত আব্দুর রাজ্জাক ও তার পরিবারের সদস্যদের জন্য কবর প্রস্তুত করা হয়েছে।
মোংলা কবরস্থানে পাশাপাশি খোঁড়া হয়েছে ৯ কবর। এই কবরেই শায়িত হবেন নিহতদের মধ্যে আব্দুর রাজ্জাক ও তার পরিবারের ৯ জন।
মোংলা কবরস্থানের খাদেম মুজিবুর ফকির বলেন, ‘পরিবারের সম্মতিতে আমরা একই স্থানে ৯টি কবর প্রস্তুত করেছি।’
খাদেম আরও বলেন, ‘১৭ বছর ধরে কবরস্থানের দায়িত্ব পালন করছি। কখনও এক সাথে একই পরিবারের এত সদস্যের কবর খুড়িনি নাই। ঘটনাটা খুবই হৃদয়বিদারক।’
নিহত আবদুর রাজ্জাকের ছোট ভাই সাজ্জাদ সরদার বলেন, ‘আশপাশের ৯টি মসজিদ থেকে খাটিয়া আনা হয়েছে। গোসল শেষে একে একে নয় মরদেহ রাখা হয় খাটিয়ায়।
বৃহস্পতিবার বিকলে খুলনা-মোংলা মাসহড়কের বেলাই ব্রিজ এলাকায় নৌবাহিনীর স্টাফবাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নববিবাহিত দম্পতিসহ ১৪ জন নিহত হয়। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই বৃহস্পতিবার রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়।
নিহত ১৪ জনের মধ্যে বর, তার বাবা, ভাই-বোন, ভাবি, ভাগ্নেভাগ্নিসহ একই পরিবারের ৯ জন। শুক্রবার ভোর রাতে তাদের মরদেহ পৌছায় বাগেরহাটের মোংলার শেহালাবুনিয়ায়। আর কনে, তার বোন, দাদী ও নানীর মরদেহ নেওয়া হয়েছে খুলনার কয়রা উপজেলায়। শুক্রবার জুমার নামাজের আগে কয়রায় কনে, তার বোন, দাদী ও নানীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে।


