বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের প্রথম সভা সোমবার সুপ্রিম কোর্টের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভার সভাপতিত্ব করেন আপিল বিভাগের বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সভায় বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ এবং জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি সম্পর্কিত প্রাথমিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। খবর বাসসের।
সভায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যাতে প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি ও অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ ছাড়া, আগামী ৯ অক্টোবর বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ, আইন কমিশন এবং বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অংশগ্রহণে একটি মতবিনিময় সভা আয়োজন করবে। এই সভায় জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি নিয়ে আলোচনা করা হবে।
এ ছাড়া, সভায় উপস্থিত ছিলেন জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের সদস্য হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফাতেমা নজীব, আইন কমিশনের সদস্য নাইমা হক, বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নুরুল ইসলাম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব (ভারপ্রাপ্ত) আবু শাহীন মো. আসাদুজ্জামান, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. লিয়াকত আলী মোল্লা, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. আজিজুল হক।
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন পুনর্গঠনের প্রজ্ঞাপন ৮ সেপ্টেম্বর অর্থ বিভাগ থেকে জারি করা হয়। এটি সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদ এবং বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (পে-কমিশন) বিধিমালা, ২০০৭-এর বিধি ৩(১) এর আওতায় রাষ্ট্রপতির প্রণীত।


