কক্সবাজার-মহেশখালী নৌরুটে একইমুখী দুটি স্পিডবোট সংঘর্ষের পর উল্টে গিয়ে এক নারী (৫০) নিহত হয়েছেন। এসময় পানিতে ভাসমান অবস্থায় অন্তত ১৮ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে কক্সবাজার-মহেশখালী নৌরুটের বাঁকখালী নদীর মোহনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কক্সবাজার-মহেশখালী নৌরুট স্পিডবোট চালক সমিতির সভাপতি মো. দিদারুল ইসলাম জানান, দুপুরে মহেশখালী উপজেলার গেরকঘাটা ঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে একই সময়ে দুটি স্পিডবোট কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেয়। বাঁকখালী নদীর মোহনা এলাকায় পৌঁছালে একটি স্পিডবোটের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় পেছন থেকে দ্রুতগতিতে আসা আর একটি স্পিডবোট সেটিতে ধাক্কা দেয়। এতে দুটি স্পিডবোটই উল্টে গেলে যাত্রীরা নদীতে ছিটকে পড়েন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অন্য স্পিডবোট ও ট্রলারের সহায়তায় পানিতে ভাসমান অবস্থায় এক নারীকে মুমূর্ষু এবং ১৮ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার নারীকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের (বিআইডব্লিউটিএ) কক্সবাজার নদীবন্দর কর্মকর্তা মো. আব্দুল ওয়াকিল বলেন, ঘটনা জানার পরপরই বিআইডব্লিউটিএর একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমিউদ্দিন জানান, নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।


