বগুড়া সদরের ইসলামপুরের (হরিগাড়ী) পশ্চিম পাড়ায় এক বৃদ্ধা ও তার নাতবউকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার রাত ৯টার দিকে লাইলী বেওয়া (৮০) নামের ওই বৃদ্ধা ও তার নাতিবউ হাবিবা ইয়াসমিন (২১) নিজেদের বাড়িতে এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এ সময় গৃহবধূর ননদ বন্যাকে ছুরিকাঘাতে জখম করা হয়।
হাবিবা ইয়সমিন ছিলেন পারভেজ ইসলামের স্ত্রী। লাইলী বেওয়া পারভেজের দাদি। পারভেজের ছোট বোন আহত বন্যা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এই ঘটনায় বন্যার সাবেক প্রেমিক সৈকত ইসলাম নামের এক যুবককে দায়ী করা হচ্ছে। নিহতদের স্বজনরা জানিয়েছেন, এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী বন্যা, স্কুলে পড়ার সময় সৈকত নামের এক যুবকের সঙ্গে প্রেম করতেন। পরে সৈকত নেশাগ্রস্ত জানতে পেরে পরিবারের চাপের মুখে তিনি সেই সম্পর্ক ভেঙে দেন। এরপর থেকেই সৈকত বন্যা এবং তার পরিবারকে বিয়ের জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন।
এ বিষয়ে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সুফিয়ান বলেন, ‘নিহতদের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
বৃহস্পতিবার ভোরে শহরের খান্দার এলাকা থেকে ঘটনার মূল সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ইকবাল বাহার। আটক সৈকত হাসান (২০) বগুড়া পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামপুর হরিগাড়ী এলাকার সোহেল ইসলামের ছেলে।


