উগ্রবাদী সংগঠন ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম (এফসিএস) রাষ্ট্রব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করে শরিয়াহ মতবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ। মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে সংগঠনটি জঙ্গি প্রশিক্ষণ ও কর্মী সংগ্রহের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
ঢাকা ও যশোর থেকে এফসিএসের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করেছে পুলিশ। যাত্রাবাড়ী থানার একটি মামলাতেও একই ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
গ্রেপ্তার সাতজন হলেন শাহ আমানত সাবির (২০), মো. হোসাইন তানিম (৬০), মো. জুনায়েদ (২২), আতাউল্লাহ শাহ (৩২), মো. আবিদুর রহমান (২০), বায়োজিত (৩০) ও তাহসীন ইসলাম (১৯)।
যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের ইন্সপেক্টর এবি সিদ্দিক মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, গত ৫ জুলাই যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে এফসিএসের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে সংগঠনের কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।
শনিবার আদালতে পাঠানো প্রতিবেদনে পুলিশ দাবি করেছে, এফসিএসের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জঙ্গিবাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলে রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ব্যাহত করে শরীয়াহ মতবাদ প্রতিষ্ঠা করা।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সংগঠনের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পেজ, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে। তারা বিভিন্ন ছদ্মনাম ব্যবহার করে সংগঠনের লক্ষ্য ও আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শাহ আমানত সাবির মার্শাল আর্ট শেখানোর আড়ালে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। ঢাকা, যশোর, খুলনাসহ কয়েকটি এলাকায় সংগঠনটির কার্যক্রম ও কর্মী সংগ্রহের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


