ফরিদপুরের কানাইপুরের হাসান শেখ হত্যা মামলায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার দুপুর ১২টায় ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. শরীফ উদ্দীন এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ফরিদপুরের সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখোলা গ্রামের মোসা. ফরিদা বেগম , ফারুক বিশ্বাস, চান্দু শেখ ও শাহজাহান মাতুব্বর। মামলার ৪ আসামির মধ্যে ৩ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মোসা. ফরিদা বেগম পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার পরে পুলিশ পাহারায় ৩ আসামিকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার বিরোধের জেরে ২০১৮ সালের ৯ মে রাত থেকে ১৩ মে বিকালের মধ্যে ঝাউখোলা এলাকার হাসান শেখ কে হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ভরে ফেলে রাখা হয়। ১৩ই মে বিকালে ঝাউখোলা গ্রামের আখ ক্ষেতে স্থানীয়রা কাজ করতে গিয়ে মরদেহের গন্ধ পায়। সেখান থেকে বস্তা বন্দী হাসানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার সাব-ইন্সপেক্টর মিজানুর রহমান তদন্ত করে চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র জমা দেয়। দীর্ঘ সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।
আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট শাহ্ মো. আজিজুর রহমান বিকু বলেন, ‘মামলায় অভিযুক্ত ছয় জন আসামির মধ্যে চার জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।


