আগামী শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিকের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শতভাগ পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহ সম্পন্ন করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
এবার প্রাক-প্রাথমিক থেকে প্রাথমিকের পঞ্চম শ্রেণির পর্যন্ত মোট বই প্রকাশ হয়েছে ৮ কোটি ৫৯ লাখ ২৪ হাজার ৮৫৪ কপি। বইগুলো দেশের সব শিক্ষা অফিসে পাঠানো সম্পন্ন হয়েছে।
১৬ ডিসেস্বর মহান বিজয় দিবসের দিন সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে এনসিটিবি’র উৎপাদন নিয়ন্ত্রক মুহাম্মদ আবু নাসের টুকু।
তিনি টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘বছরের প্রথম দিনই প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা নতুন বই হাতে পাবে। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের কাজ শেষ। এখন আমরা অভিভাবক নির্দেশিকা তৈরির কাজ করছি। এবার অভিভাবকদের হাতেও একটি নির্দেশিকা তুলে দেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে দেশের উত্তর এবং দক্ষিণ প্রান্তের দুই জেলার উপজেলা শিক্ষা অফিসে খোঁজ নেয় টাইমস অব বাংলাদেশ। কক্সবাজারের টেকনাফের উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান আরজু এবং পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদ হাসান বই পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। ঠিক সময়ে যাতে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবই হাতে পান সেজন্য স্থানীয় পর্যায়ে কাজ চলছে বলেও জানান তারা।
মঙ্গলবার ডিসেম্বর সন্ধ্যায় এনসিটিবির পাঠানো এক প্রেস রিলিজে বলা হয, গত কয়েক বছরের ইতিহাসে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এতো বৃহৎ ও জটিল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন হওয়া একটি অনন্য দৃষ্টান্ত।
নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার আগেই প্রায় সাড়ে আট কোটিরও বেশি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও প্রস্তুত করার বিষয়টি ছিল অত্যন্ত জটিল ও চ্যালেঞ্জিং কার্যক্রম। একই সঙ্গে এটি প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
এর ফলে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই দেশের প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষার্থীর হাতে সম্পূর্ণ নতুন পাঠ্যপুস্তক পৌঁছে দেওয়ার নিশ্চিত হয়েছে।


