প্রশিক্ষিত শুটার মোকাবিলায় সরকার কী ব্যবস্থা নিচ্ছে তা জানতে চায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা দাবি করেন, প্রশিক্ষিত শুটার নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা মাঠে নেমেছে।
রোববার দলটির মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এক বিবৃতিতে বলেছেন, ইনকিলাব মঞ্চের শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে এক ধরনের শঙ্কা তৈরি করেছে। কারণ, নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ দেশের অলিতে-গলিতে যাবেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে গণসংযোগ করবেন। তখন তাদের নিরাপত্তা কীভাবে রক্ষিত হবে, সেই প্রশ্ন জোরালোভাবে উঠেছে। রাষ্ট্র ও নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা জাতি জানতে চায়।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ঘটনার পরের দিন তিন দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তিনি বলেছেন, প্রশিক্ষিত শুটার নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা মাঠে নেমেছে। প্রশিক্ষিত শুটার নিয়ে যে মাঠে নেমেছে তা জনসাধারণ বুঝতে পারছে। প্রশ্ন হলো, রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ম্যাজিস্ট্রেট পাওয়ার সঙ্গে সেনাবাহিনী মাঠে মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও ষড়যন্ত্রকারীরা কীভাবে প্রশিক্ষিত শুটার নিয়ে মাঠে নামতে পারে? কীভাবে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করতে পারে? আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই ষড়যন্ত্রের বিষয়ে আগেই জানতে পারল না কেন? এবং এখন জানার পরে কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা জাতি জানতে চায়।
বিবেৃতিতে তিনি আরও বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার মুখে আমরা প্রশিক্ষিত শুটার মাঠে নেমেছে, সেই সংবাদ শুনতে চাই না বরং তাদের মোকাবিলায় কী কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তা জানতে চাই।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র বলেন, ‘সর্বদলীয় প্রতিরোধ সভার সিদ্ধান্ত হয়েছে, তবে এই ধরনের পরিস্থিতিতে এর চেয়েও জরুরি হলো, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বাত্মক অভিযান। অপরাধীচক্রকে ধরতে সর্বোচ্চ শক্তি নিয়োগ করা। আমরা সেটাই আশা করি।’
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘আমরা আশা করব, সরকারের সব বাহিনী এই ষড়যন্ত্রকারীদের সমূলে উৎখাত করতে সর্বশক্তি নিয়োগ করবে এবং অপরাধীদের পাকড়াও করা হবে, যাতে মানুষের মধ্যে আস্থা ফিরে আসে।’


