প্রশাসনের কিছু লোকজন একটি দলের পক্ষে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে। প্রশাসনে থেকে রাষ্ট্রীয় সকল সুযোগ-সুবিধা নিয়ে একটি দলের পক্ষে কাজ করবেন তা বাংলাদেশের জনগণ এটি মেনে নেবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
শনিবার সকালে সিরাজগঞ্জর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা জামায়াতে ইসলামীর ষান্মাষিক রোকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি নয়, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তির আদেশ জারি করতে হবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকেই। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তিকে আরও মজবুত করার জন্য গণভোটের আয়োজন করতে হবে। একই সঙ্গে গণভোট হতে হবে নভেম্বরেই।’
‘গণভোট চাইলে একটি পক্ষ বলে আমরা নির্বাচন চাই না, এটি হাস্যকর। আগামী সপ্তাহে নির্বাচন দিলেও জামায়াতে ইসলামী রাজি আছে। কিন্তু তার আগে অবশ্যই জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে হবে, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে’, যোগ করেন তিনি।
সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা শাহিনুর আলমের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম ও সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।


