প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকলে ঢুকে পড়া মবিনের জামিন নামঞ্জুর

প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকলে ঢুকে পড়া মবিনের জামিন নামঞ্জুর
প্রতীকী ছবি
Advertisement
Advertisement

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরাপত্তাবেষ্টনী অতিক্রম করে গাড়িবহরে ঢুকে পড়ার ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় মো. মহিবুল্লাহ মবিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছে আদালত। ফলে আপাতত তাকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।

সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

এদিন আসামিপক্ষে আইনজীবী রবিউল আলম জুয়েল জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, মবিন সম্পূর্ণ নির্দোষ। তার নাশকতা করার কোনো অভিপ্রায় ছিল না। আবেগবশত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেলফি তোলার উদ্দেশ্যেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করেও তার কাছ থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই যেকোনো শর্তে তার জামিন মঞ্জুরের আবেদন জানান তিনি।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত মবিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ৫ সেপ্টেম্বর বিকাল আনুমানিক ৪টার দিকে তেজগাঁও থানাধীন মনিপুরীপাড়ার কেআইবি অডিটোরিয়ামের সামনে থেকে মহিবুল্লাহ মবিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় সেখানে ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা চলছিল এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করছিলেন।

আরও পড়ুন

মামলার অভিযোগে বলা হয়, মবিন অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা, সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা এবং আলোচনা সভা বানচালের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিলেন। একপর্যায়ে তিনি নিরাপত্তাবেষ্টনী অতিক্রম করে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

পুলিশের অভিযোগ, মবিন তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল নিয়ে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিলেন। এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার সঙ্গে থাকা অন্য সহযোগীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারের সময় মবিনের কাছ থেকে একটি ইয়ামাহা এফজেডএস-১৫০ সিসি মোটরসাইকেল, দুটি পাসপোর্ট, দুটি অপো মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড জব্দ করা হয়।

এর আগে রিমান্ড আবেদনে পুলিশ আরও উল্লেখ করে, মবিনের সঙ্গে থাকা পলাতক সহযোগীদের পরিচয়, নাম-ঠিকানা ও অবস্থান শনাক্ত করা, তিনি কার নির্দেশ বা প্ররোচনায় ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন এবং ঘটনার আগে ও পরে কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন—এসব বিষয় তদন্ত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি জব্দ করা দুটি পাসপোর্টের মালিকানা ও ব্যবহারের কারণ এবং মোটরসাইকেলটি কোথা থেকে ঘটনাস্থলে আনা হয়েছিল, তাও খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর