দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বেসরকারি ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর উদ্ভাবনী শিক্ষা উদ্যোগগুলো জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণে সরকার কাজ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
তিনি বলেন, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্গম এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সফল মডেলগুলোকে বৃহত্তর পরিসরে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে দেশের প্রতিটি ঘরে শিক্ষা ও দক্ষতার আলো ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ইউনেসকো কনফুসিয়াস সাক্ষরতা পুরস্কার ২০২৫’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু সহনশীল শিক্ষাব্যবস্থার অংশ হিসেবে ভাসমান বা নৌকাভিত্তিক বিদ্যালয় মডেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বেসরকারি সংস্থাগুলো বহু বছর ধরে নৌকাভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি একটি কার্যকর ও পরীক্ষিত মডেল। এখন প্রয়োজন এই অভিজ্ঞতাকে দেশের অন্যান্য অনুরূপ অঞ্চলে কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায়, তা নিয়ে একসঙ্গে কাজ করা।
ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, প্রত্যেকটি উদ্যোগই গুরুত্বপূর্ণ। তবে উদ্যোগ গ্রহণের চেয়ে তা সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়া আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আগামী দিনগুলোতে সরকার এসব সফল উদ্যোগকে জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণে সহযোগিতা করতে চায়।
বক্তব্যের শেষে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের শিক্ষা উন্নয়নে ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য ইউনেসকোকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তিনি ইউনেসকো কনফুসিয়াস সাক্ষরতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ‘সিধুলাই স্বনির্ভর সংস্থা’কে অভিনন্দন জানান।
অনুষ্ঠানে গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদাকে চৌধুরী, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক দেবব্রত চক্রবর্তী এবং ইউনেসকো বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুসান ভাইজসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।


