এসডিজি অর্জনে দরকার শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন

এসডিজি অর্জনে দরকার শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন
Advertisement
Advertisement

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের জন্য শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করা জরুরি হলেও বাংলাদেশে আইনি দুর্বলতা ও বাস্তবায়নের অভাবে নিবন্ধনের হার অনেক কম। শনিবার এক ওয়েবিনারে একথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই)-এর সহযোগিতায় এ ওয়েবিনার আয়োজন করে প্রগতির জন্য জ্ঞান (প্রজ্ঞা)। প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়েরের সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে মূল নিবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের কোঅর্ডিনেটর মাশিয়াত আবেদিন। এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জিএইচএআই বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস, ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিস-এর কান্ট্রি কোঅর্ডিনেটর মো. নজরুল ইসলাম ও প্রথম আলোর সহকারী বার্তা সম্পাদক পার্থ শঙ্কর সাহা।

ওয়েবিনারে জানানো হয়, এসডিজি লক্ষ্যমাত্রায় জন্ম নিবন্ধনসহ সবার জন্য বৈধ পরিচয়পত্র দেওয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা পেতে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।

একইভাবে মৃত্যু নিবন্ধন সরাসরি মাতৃমৃত্যু ট্র্যাকিংয়ে সাহায্য করে। শিশুমৃত্যুর হার পরিমাপ করার জন্য জন্ম ও মৃত্যুর সঠিক রেকর্ড থাকা অপরিহার্য, যা এসডিজি অর্জনে ভূমিকা রাখে। মৃত্যুর কারণের সঠিক তথ্য অসংক্রামক রোগ মোকাবেলায় সহায়তা করে। সময়মতো মৃত্যু নিবন্ধন রোগ নজরদারি এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় কাজে লাগে। এ ছাড়া জন্ম সনদ শিশুদের স্কুলে ভর্তি সহজ করে এবং সঠিক বয়স যাচাইয়ের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম প্রতিরোধ করে। এসব কারণে শতভাগ নিবন্ধন করা জরুরি।

আলোচনায় জানানো হয়, বাংলাদেশে বর্তমানে জন্ম নিবন্ধন ৫০ শতাংশ এবং মৃত্যু নিবন্ধন ৪৭ শতাংশ। এই হার বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক গড়ের তুলনায় অনেক কম। দেশে প্রায় ৬৭ শতাংশ শিশুর জন্ম হাসপাতালে হলেও নিবন্ধনের মূল দায়িত্বটি পরিবারের ওপর ন্যস্ত থাকে, হাসপাতালের ওপর নয়। স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে জন্ম ও মৃত্যুর পর বাধ্যতামূলক নিবন্ধনের ব্যবস্থা নেই। এই কারণে একটি বিশাল অংশ রাষ্ট্রীয় হিসাবের বাইরে থেকে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সঠিক পরিসংখ্যানের অভাবে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য খাতের কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়ন ব্যাহত হচ্ছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর