পৌরসভা এলাকার ভেতরেও ইকোনমিক জোন স্থাপনের অনুমতি দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাস্তবতার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
সোমবার ঢাকায় বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্থাটির নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।
তিনি জানান, ২০১২ সালের আইনের মাধ্যমে পৌরসভাগুলোকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের আওতার বাইরে রাখা হয়েছিল। তবে সময়ের সঙ্গে বাস্তবতা বদলেছে। বর্তমানে দেশে পৌরসভার সংখ্যা প্রায় ৩০৯ থেকে বেড়ে ৩৩১ হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে আশিক চৌধুরী বলেন, পৌরসভার বাইরে ইকোনমিক জোন করতে গেলে অনেক ক্ষেত্রে কৃষিজমি ব্যবহার করতে হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের জন্য ক্ষতিকর। সে কারণে নীতিতে দিক পরিবর্তন এনে পৌরসভা এলাকার ভেতরেও ইকোনমিক জোন অনুমোদনের পথ খোলা হচ্ছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, অনেক বন্ধ শিল্প কারখানাও পৌরসভা এলাকার মধ্যে অবস্থিত। এসব স্থাপনায় আবার অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালু করতে হলে পৌর এলাকায় ইকোনমিক জোনের সুযোগ থাকা জরুরি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই পরিবর্তন বাস্তবায়িত হলে কৃষিজমি সুরক্ষার চাপ কিছুটা কমতে পারে। পাশাপাশি পৌর এলাকায় থাকা পরিত্যক্ত বা বন্ধ শিল্প স্থাপনা নতুনভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হতে পারে এবং শহরকেন্দ্রিক বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।


