পে-অর্ডার জালিয়াতির অভিযোগে এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলমের দুই ছেলে, একজন সাবেক উপ কর কমিশনার এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সাত কর্মকর্তাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. নিজাম উদ্দিন বাদী হয়ে এ মামলা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপপরিচালক সুবেল আহমেদ।
আসামিরা হলেন—সাইফুল আলমের ছেলে আসাদুল আলম মাহির ও আশরাফুল আলম, চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-১ এর সাবেক উপ কর কমিশনার আমিনুল ইসলাম এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন, মো. আমির হোসাইন, মো. আহসানুল হক, মো. রুহুল আমিন, শামীম আক্তার, মো. আনিস উদ্দিন ও গাজী মোহাম্মদ ইয়াকুব।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২১ সালে আয়কর রিটার্নে আসাদুল আলম মাহির ২৯ জুন তারিখের একটি পে-অর্ডারের মাধ্যমে কর পরিশোধের তথ্য দেন। একই দিনে তার হিসাবে ২৫ কোটি টাকা জমা ও উত্তোলনের তথ্য দেখানো হয়।
তবে তদন্তে দুদক দেখতে পায়, যে ব্যাংক হিসাবে লেনদেন দেখানো হয়েছে সেটি খোলা হয় ওই বছরের ১৯ ডিসেম্বর, অর্থাৎ ঘটনার সাড়ে পাঁচ মাস পর। এছাড়া জমা দেওয়ার কোনো রশিদও পাওয়া যায়নি।
একইভাবে, আশরাফুল আলমের ক্ষেত্রেও ২০২১ সালের ২৯ জুন পে-অর্ডার ইস্যু দেখানো হলেও ওই তারিখে হিসাবে কোনো টাকা ছিল না এবং জমার কোনো রশিদও পাওয়া যায়নি। অভিযোগে বলা হয়, ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার করে আসামিরা ডিসেম্বর মাসের লেনদেনকে জুন মাসের দেখিয়ে জালিয়াতি করেছেন।


