মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন না করা সত্ত্বেও ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ১২ জনসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৯তম বিসিএস পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের ৬ মাস পর ছয়জন প্রার্থীকে অবৈধভাবে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রশাসন, পুলিশসহ অন্যান্য ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সরকারি কর্ম কমিশনের সাবেক সদস্য এ টি আহমেদুল হক চৌধুরী, সুরাইয়া বেগম, মির্জা শামসুজ্জামান, আবিদুর রেজা খান, এহসান শামীম, অধ্যাপক রাশিদা বেগম, মোহাম্মদ হোসেন সেরনিয়াবাত, এমরান কবির চৌধুরী, সৈয়দ হাসিনুর রহমান, ইকরাম আহমেদ, ফরিদা আদিব খানম, মুহম্মদ লিয়াকত আলী খান, সাবেক সচিব চৌধুরী বাবুল হাসান, সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আ ই ম নেছার উদ্দিন ও মক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রাক্তন সহকারী সচিব লোকমান আহমদ।
চাকরি পাওয়া ৬ কর্মকর্তা হলেন রকিবুর রহমান খান, তোফাজ্জল হোসেন, হালিমা খাতুন, মিল্টন আলী বিশ্বাস, নাহিদা বারিক ও খোরশেদ আলম।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে নিয়োগ ও পরীক্ষা কার্যক্রমে প্রতারণা, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে। অনুসন্ধান টিমের সুপারিশ অনুযায়ী আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।


