জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি রইছ উদ্দীন বলেছেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচনে একাধিক ক্ষেত্রে এক প্যানেল অন্য প্যানেলকে দোষারোপ করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা কাঙ্ক্ষিত গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মঙ্গলবার বিকালে ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নির্বাচন মানেই ভিন্নমত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, তবে সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেন পারস্পরিক সম্মান ও সহনশীলতার ভিত্তিতে হয়। দোষারোপ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের রাজনীতি গণতন্ত্রের চেতনাকে দুর্বল করে।
রইছ উদ্দীন বলেন, শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে চারটি প্যানেল ও একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী অংশগ্রহণ করছেন। নির্বাচন শেষে যে প্যানেল বা প্রার্থী বিজয়ী হবেন, তাকেই সবাইকে মেনে নিতে হবে। তার মতে, বিজয়–পরাজয়ের ঊর্ধ্বে উঠে নির্বাচনের ফলাফলকে সম্মান জানানোই গণতান্ত্রিক চর্চার মূল ভিত্তি।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে একটি প্যানেলকে লক্ষ্য করে অন্য প্যানেলের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, আবার সেখান থেকে পাল্টা প্রতিক্রিয়াও আসছে। এই প্রবণতা পরিহার করে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি।
শিক্ষক সমিতির সভাপতি বলেন, সব প্যানেল ও প্রার্থী তার কাছে সমান এবং কোনো পক্ষের প্রতি তার ব্যক্তিগত পক্ষপাত নেই। তিনি প্রত্যাশা করেন, নির্বাচন শেষে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে কাজ করবেন।
তিনি বলেন, ২০২৪–পরবর্তী বাংলাদেশের যে গণতান্ত্রিক চেতনা, তা ধারণ করতে হলে দোষারোপের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে সহনশীল ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।


