পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর। এই সাক্ষাতকে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে নবায়ন হওয়া রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৈঠকে উভয় পক্ষ ইরান সংকট, সামগ্রিক রাজনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। চলমান ইরান সংকট প্রসঙ্গে দুই পক্ষই নিজ নিজ অবস্থান তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ভবিষ্যৎ সম্পৃক্ততার রূপরেখা নির্ধারণের লক্ষ্যে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে পল কাপুর ঢাকা সফর করছেন। মঙ্গলবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা অনুবিভাগের পরিচালক আরসুদা খান।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। তারপর ওয়াশিংটন থেকে রাজনৈতিক পর্যায়ে এটিই প্রথম অংশগ্রহণ হওয়ায় পল কাপুরের সফরটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর নতুন প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ও গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের প্রাথমিক ইঙ্গিত।
১৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাঠানো এক চিঠিতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন। ওই চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বাণিজ্য সম্প্রসারণ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সমন্বয়কে দ্বিপাক্ষিক সম্পৃক্ততার প্রধান স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করেন, যা দক্ষিণ এশিয়ায় ওয়াশিংটনের বিস্তৃত কৌশলগত অগ্রাধিকারের প্রতিফলন।


