নোয়াখালীতে চুরি যাওয়া সোনা চট্টগ্রাম এবং কুমিল্লা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় চোর চক্রের মূলহোতাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাদের কাছ থেকে নয় ভরির বেশি সোনা উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি) এ.টি.এম মোশারফ হোসেন। গতকাল শনিবার কুমিল্লা জেলার একাধিকস্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোনা চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তাররা হলেন, আন্তঃজেলা সোনা চোর চক্রের মূলহোতা মো. মোর্শেদ ওরফে মোশারফ, তার স্ত্রী শিল্পী আক্তার ও মো.আলাউদ্দিন ওরফে পিচ্চি আলাউদ্দিন (২৬)।
গত ১ জানুয়ারি রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে মাইজদী শহরের থানার পাশে নোয়াখালী সুপার মার্কেটের চতুর্থ তলায় ৪২৪ নম্বর দোকান নিলয় জুয়েলার্সে ১২৭ ভরি সোনা চুরির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর ২ জানুয়ারি সুধারাম থানায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মীর মোশারেফ হোসেন একটি মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই চোরদের শনাক্ত করতে ও চোরাই সোনা উদ্ধারে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তথ্য সংগ্রহ করা শুরু করে পুলিশ। সিসি টিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে গতকাল শনিবার সকালে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর ভাঙা সড়কে অভিযান চালায় পুলিশ।
অভিযানে সোনা চোর চক্রের মূলহোতা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং চট্রগ্রামের হাটহাজারীর বড় দিঘীর পাড় এলাকায় তাদের বাসা তল্লাশি করে পাঁচ ভরি সোনা উদ্ধার করা হয়। একই অভিযানে আরেক আসামি পিচ্চি আলাউদ্দিনকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ওই বাড়ি থেকে তিন ভরি সোনা উদ্ধার করা হয়।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘মোর্শেদ ও পিচ্চি আলাউদ্দিন আদালতে দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। পরে আদালতের নির্দেশে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়।’


