প্রাথমিকে নৃত্য শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে বিশেষজ্ঞ ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তবে, দলটির এ বিবৃতি নিয়ে বেশ মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে অনেকে নানা ধরনের মতামত প্রকাশ করেছেন।
রোববার এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি গোলাম পরওয়ার এ আহ্বান জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের কোনো বিশেষজ্ঞ শিক্ষক নেই। ফলে সমৃদ্ধ সিলেবাস থাকলেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ধর্মীয় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এতে দেশে সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসহিষ্ণুতা তৈরি হচ্ছে এবং তারা ধর্মীয় ইতিহাস-ঐতিহ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে সৎ নাগরিক ও সৎ নেতৃত্ব তৈরি হচ্ছে না।
ধর্মীয় শিক্ষা মানুষের মধ্যে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ তৈরি করে, যা সৎ আচরণের ভিত্তি গড়ে তোলে। তাই ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা না থাকলে সমাজে নৈতিক অবক্ষয় ঘটবে এবং সৎ নাগরিক ও নেতৃত্ব তৈরি হওয়া কঠিন হয়ে পড়বে বলেও জানান তিনি।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘যখন দেশে ঐশীর মতো ঘটনা ঘটে অর্থাৎ নেশাগ্রস্থ সন্তান বাবা-মাকে হত্যা করে তখন সুশীলরা ধর্মীয় শিক্ষার কথা বলেন। এরপর আবার সব ভুলে যান। তবে, আমাদের মনে রাখতে হবে ধর্মীয় শিক্ষা মানুষকে মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ সৃষ্টিতে সহযোগিতা করে।’


