কুমিল্লার বরুড়ায় এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে আতিক উল্লাহ নামের এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় অভিযুক্ত শিক্ষককে গণপিটুনি দেওয়া থেকে রক্ষা করতে গিয়ে উত্তেজিত জনতার সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে উপপরিদর্শক (এসআই) মিশন চৌধুরীসহ অন্তত আট পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
বুধবার দুপুরে উপজেলার আড্ডা বাজার এলাকায় ফয়জুনে মদিনা মডেল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আতিক উল্লাহ ওই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষক।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রের বরাতে জানা গেছে, রাতের খাবারের পর অন্যরা ঘুমিয়ে পড়লে ওই শিশু শিক্ষার্থীকে অফিসকক্ষে ডেকে নিয়ে অনৈতিক আচরণ করেন শিক্ষক আতিক উল্লাহ। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দারা মাদ্রাসায় ভিড় জমান। খবর পেয়ে বরুড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার সময় ক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে জনতার সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কি হয় এবং আট পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পুলিশ তাকে নিরাপদে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আরও দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক আতিক উল্লাহ বলাৎকারের অভিযোগ অস্বীকার করলেও শিশুটিকে দিয়ে শরীর টেপানোর কথা স্বীকার করেছেন।
বরুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার জানান, ভুক্তভোগী শিশুর অভিযোগের পাশাপাশি পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আহত পুলিশ সদস্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।


