বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘নির্বাচন চ্যালেঞ্জ নয়, চ্যালেঞ্জ হলো নির্বাচন বিলম্বিত করার চেষ্টা।’
সোমবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে নাগরিক যুব ঐক্য আয়োজিত ‘আগামী নির্বাচন গুণমানসম্পন্ন ও সবার জন্য গ্রহণযোগ্য করার চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘গণভোট একসাথে করা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। আমরা সুবিধার কথা বলেছি, কারণ যদি আলাদাভাবে গণভোট আয়োজন করতে হয়, তবে একই আয়োজন, একই বাজেট, একই কর্মকর্তা দিয়ে সেটি করতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘একই ব্যালট বক্স, একই পোলিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার এবং ভোট সেন্টারের মাধ্যমে দুটি নির্বাচন করা যাবে। ফলে নির্বাচন বিলম্বিত করার যে কোনো প্রচেষ্টাকে রোধ করা সম্ভব হবে।’
বিএনপির নেতা মন্তব্য করেন, ‘বর্তমানে কিছু ব্যক্তি আবারো দাবি করছেন যে, গণভোট আগে হতে হবে, সংবিধান সংশোধন করতে হবে। আমাদের মতে, এগুলো পরিহার করা উচিত। নির্বাচনটাই আসল চ্যালেঞ্জ নয়, যারা নির্বাচনের সময় বিলম্বিত করতে চায়, তাদের কৌশলই মূল চ্যালেঞ্জ।’
তিনি আরো বলেন, ‘গণভোট করার জন্য কোনো আইনগত বাধা নেই। সরকার অধ্যাদেশ জারি করে বা আরপিওতে সংশোধনী এনে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে। সেই সময় নির্বাচন কমিশন একই দিনে গণভোট আয়োজন করতে সক্ষম হবে।’
সালাহউদ্দিন আহমদ জনগণের ভোটদানে অভ্যস্ততার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বর্তমানে আমরা তিনটি ব্যালটে ভোট দিই। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চেয়ারম্যান, মহিলা মেম্বার এবং পুরুষ মেম্বারের জন্য আলাদা ব্যালট রয়েছে। সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও মেয়র এবং কাউন্সিলরদের জন্য একাধিক ব্যালট থাকে। তাই জনগণ এতে অভ্যস্ত।’
তিনি বলেন, ‘গণভোটের ব্যালট জনগণের জন্য সহজবোধ্য করা যেতে পারে। নির্বাচন কমিশন প্রচারণা চালাতে পারে, যেমন লাল চিহ্নে টিক দিলে না এবং সবুজ চিহ্নে টিক দিলে হ্যাঁ হবে। এতে জনগণের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য গণভোটের প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করেন।


