নারী সংস্কার কমিশনের ‘বিতর্কিত ও সাংঘর্ষিক’ বিষয় পর্যালোচনায় বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশনা চেয়ে রোববার সকালে হাইকোর্টে রিট হয়েছে।
‘জনস্বার্থে’ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রওশন আলী সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন।
একইসঙ্গে রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ‘নারী সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন না করার’ নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
এছাড়া নারী সংস্কার কমিশনের তিন, চার, ছয়, দশ, এগারো ও বারো নাম্বার সুপারিশ ‘ইসলামি আইন, জনগণের অনুভূতিতে আঘাত এবং সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক’ দাবি করে বাতিল চাওয়া হয়েছে।
দুটি ধর্মভিত্তিক দল শনিবার পৃথক কর্মসূচি থেকে ‘নারী সংস্কার কমিশন’ বাতিল চাওয়ার দাবিতে সোচ্চার হওয়ার পরদিনই হাইকোর্টে ওই রিট দায়ের হলো।
নারী সংস্কার কমিশন বাতিলসহ চার দফা দাবিতে শনিবার দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মহাসমাবেশ থেকে দুটি কর্মসূচি ঘোষণা করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সমাবেশের শেষাংশে সংগঠনের মহাসচিব সাজিদুর রহমান ঘোষণা দেন, নারীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আগামী তিন মাসে দেশের সব বিভাগে সম্মেলন এবং ২৩ মে বাদ জুমা দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হবে।
এছাড়া একই দিন সকালে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিটির ‘কিছু সুপারিশ আল্লাহর বিধানের বিপক্ষে’ বলে মন্তব্য করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ঢাকার মগবাজারের আল ফালাহ মিলনায়তনে দুদিনব্যাপী জেলা ও মহানগরী আমির সম্মেলন উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘অতিসম্প্রতি নারী বিষয়ক সংস্কার কমিটি প্রধান উপদেষ্টা বরাবর সুপারিশমালা পেশ করেছে। তারা কিছু সুপারিশমালায় কিছু কিছু সুপারিশ আল্লাহর বিধানের বিপক্ষে দাঁড় করিয়ে পেশ করা হয়েছে। তাদের এই সুপারিশ গ্রহণ করলে কোরান পরিবর্তন হয়ে যাবে। অথচ আল্লাহ তায়ালা কোরান নাযিল করে বলেছেন, কোরান নাযিল করেছি আমি, রক্ষাও করব আমি। এখানে একটা হরফ, নোকতাও কেউ পরিবর্তন করতে পারবে না।’


