নারীর শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও ন্যায়বিচারের মতো মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা আয়োজিত ওয়েবিনারে তারা এ আহ্বান জানান।
বর্তমানে বাংলাদেশে জন্ম নিবন্ধনের হার মাত্র ৫০ শতাংশ এবং মৃত্যু নিবন্ধনের হার ৪৭ শতাংশ, যা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গড় হারের তুলনায় অনেক কম।
ওয়েবিনারে বক্তারা বলেন, জন্ম নিবন্ধনের অভাবে বয়স প্রমাণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। একারণে মেয়েরা সহজে বাল্যবিবাহের শিকার হয়। অথচ বাল্যবিবাহ নারীর উপর শারীরিক ও মানসিক সহিংসতার ঝুঁকি বাড়ায়। অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি ও মাতৃমৃত্যুর হারও বেশি। নিবন্ধনহীনতা নারী পাচার ও নারীদের ঝুঁকিপূর্ণ পেশা গ্রহণেও ভূমিকা রাখে।
নারীর জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের অগ্রগতি বাড়াতে আইন সংশোধন করে পরিবারের বদলে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধনের দায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা। তারা বলেন, হাসপাতালে জন্ম ও মৃত্যু স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধনের আওতায় আনতে হবে।
প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়েরের সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধূরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা, গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস ও অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স- আত্মা’র কো-কনভেনর নাদিরা কিরণ।


