আগামী দু’একদিনের মধ্যে তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শূন্য হওয়া পদ পূরণে তাকে এই পদে আসীন করা হচ্ছে।
রোববার রাতে সিলেটের একটি অভিজাত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
বিএনপি’তে তারেক রহমানের মূল পদ সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। তবে ২০১৮ সালে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আদালত দণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন তারেক রহমান।
নির্বাচনী প্রচারণা শুরু সিলেট থেকে
মির্জা ফখরুল জানান, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মেনে বিএনপি এবারও সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দলের নতুন চেয়ারম্যান হিসাবে তারেক রহমান সিলেট থেকে এই প্রচারের সূচনা করবেন। নির্বাচনকে জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ বছর এই জাতি ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। গণতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য একটি নির্বাচিত পার্লামেন্ট গঠন করা এখন সময়ের দাবি।
বর্তমান পরিস্থিতি ও নির্বাচন
কিছু কিছু আসনে বিএনপির দু’জন করে প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি মূলত বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে ১০–১২টি আসনে একাধিক প্রার্থী দিয়েছে। কারণ কয়েকটি আসনে ব্যাংক ক্লিয়ারেন্স বা মামলা সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে শঙ্কা ছিল। সেই কারণে বিকল্প প্রার্থী রাখা হয়েছে।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন তার আপন গতিতে এগোচ্ছে এবং নির্বাচন কমিশন সবার সহযোগিতায় এটি বাস্তবায়ন করবে। তবে কিছু রাজনৈতিক দলের অবস্থান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, যারা আগে নির্বাচনের বিরোধিতা করেছিল, তারা এখন প্রার্থী ঘোষণা করে মাঠে নেমে পড়েছে। গুটিকয়েক মহল বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালালেও তারা সফল হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমিকা
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কারমূলক কাজের প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার কার্যত পূর্ণাঙ্গ সরকারের রূপ নিয়েছে। তাদের সংস্কার উদ্যোগ ও সনদ বাস্তবায়নের কাজ অবশ্যই কৃতিত্বের দাবিদার।


