দিল্লি বিক্ষোভে সাংবাদিক আটক: পুলিশকে ক্ষমা চাইতে বলল ৪ সংগঠন

দিল্লি বিক্ষোভে সাংবাদিক আটক: পুলিশকে ক্ষমা চাইতে বলল ৪ সংগঠন
পুলিশের হাতে আটক অবস্থা থেকে বাসের জানালা দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারীদের একাংশ। ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস
Advertisement
Advertisement
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের আটক ও হয়রানির ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দেশটির চারটি শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিক সংগঠন। এ ঘটনাকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে উল্লেখ করে আটক সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং দিল্লি পুলিশের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে তারা।

এক যৌথ বিবৃতিতে প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়া (পিসিআই), ইন্ডিয়ান উইমেনস প্রেস কর্পস (আইডব্লিউপিসি), দিল্লি ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস (ডিইউজে) এবং কেরালা ইউনিয়ন অব ওয়ার্কিং জার্নালিস্টসের দিল্লি শাখা এ দাবি জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়। তারা পেশাগত পরিচয়পত্র দেখানোর পরও পুলিশ তাদের জোর করে বাসে তুলে আটককেন্দ্রে নিয়ে যায়। অনেককে দিল্লির ছত্রসাল স্টেডিয়াম ও চাণক্যপুরী থানায় নেওয়া হয়। এ সময় পুলিশ সদস্যরা সাংবাদিকদের মুঠোফোন ও সংবাদ সংগ্রহের সরঞ্জামও জব্দ করেন।

সাংবাদিক সংগঠনগুলোর অভিযোগ, প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) স্বীকৃতি না থাকার অজুহাতে স্বাধীন ও ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায় দিল্লি পুলিশ।

সংগঠনগুলোর মতে, সরকারি স্বীকৃতি থাকুক বা না থাকুক, সব বৈধ সাংবাদিকই আইনগত সুরক্ষা পাওয়ার অধিকারী। ফলে সরকারি স্বীকৃতির অজুহাতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।

আরও পড়ুন

সাংবাদিকদের আটকের নির্দেশ দেওয়া পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে চার সংগঠন।

একই সঙ্গে রাজধানীজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা কড়াকড়িরও সমালোচনা করেছে তারা।

বিবৃতিতে বলা হয়, দিল্লিতে ২২ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন, পাতালরেল স্টেশন বন্ধ এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বিঘ্নিত করার মতো জনবিরোধী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সংগঠনগুলোর মতে, এসব ব্যবস্থা শান্তিপূর্ণ জনসমাবেশ দমনে কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার প্রবণতার বহিঃপ্রকাশ।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad