দিল্লির ককরোচ আন্দোলনে বাংলাদেশের মদত!

দিল্লির ককরোচ আন্দোলনে বাংলাদেশের মদত!
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আন্দোলন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতারা। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে বাংলাদেশের মদত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রভাবশালী বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তার এ মন্তব্যকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গণে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

প্রথমে শিক্ষামন্ত্রী ও পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে সিজেপি আন্দোলনে বিদেশি শক্তির  মদত আছে বলে অভিযোগ করে আসছে ক্ষমতাসীন বিজেপি শিবির। তবে তারা কখনো সেই বিদেশি শক্তির নাম বলেনি, কোনো দেশের নামও ইঙ্গিত করেনি।

সিজেপির চলমান আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি পোস্ট দিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহবায়ক নাহিদ ইসলাম। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ  হাসিনার বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে তিনি ছিলেন সামনের সারির নেতা। এখন তিনি বিরোধী দলের  সংসদ সদস্য।

সিজেপির আন্দোলনে নাহিদ ইসলামের সমর্থনের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। সাংবাদিকদের কাছে তার দাবি, ভারতকে অস্থির করে তোলার এই আন্তর্জাতিক চক্রান্তের বিষয়টি বারবার সামনে আসছে। তবে তিনি বলেন, ‘বাইরে থেকে মদত দেওয়া হলেও অর্থ জোগানের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আর সে কারণেই প্রতিপক্ষ এখন আতঙ্কে ভুগছে।’

অবশ্য বিজেপির এই আন্তর্জাতিক চক্রান্তের তত্ত্বকে নস্যাৎ করে দিয়েছেন মানবাধিকার কর্মী ছোটন দাশ। তিনি পাল্টা বলেন, ‘আসলে আন্দোলনের ব্যাপকতায় মোদি-শাহ নেতৃত্ব ভীত হয়ে পড়েছেন। সেই আতঙ্ক ঢাকতেই বিদেশি ষড়যন্ত্রের অহেতুক অজুহাত দেওয়া হচ্ছে।’

দিল্লিতে এই আন্দোলন দমাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। রাজধানীর যন্তর মন্তরে পূর্বঘোষিত প্রতিবাদ কর্মসূচির ঠিক আগেই অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসসহ বেশ কয়েকজন সিজেপি নেতাকে পুলিশ আটক করেছে। পাশাপাশি জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সর ধ্রুব রাঠিকেও তার বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad