ভারতে অনুষ্ঠিত সদ্য শেষ হওয়া এশিয়া কাপ হকিতে জাপানের কাছে ৬-১ গোলে হেরে ষষ্ঠ হয়ে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ। ফলটা হতাশাজনক হলেও এখানেই শেষ নয়, সামনে অপেক্ষা করছে আরও বড় পরীক্ষা। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে জায়গা করে নিতে হলে তিন ম্যাচের সিরিজে শক্তিশালী পাকিস্তানকে হারাতে হবে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের।
এশিয়া কাপে শুরুর পরিকল্পনায় পাকিস্তান থাকলেও শেষ মুহূর্তে তারা সরে দাঁড়ায়। সেই সুযোগে বাংলাদেশ খেলতে পারে টুর্নামেন্টে। নিয়ম অনুযায়ী, চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি টিকিট পাবে বিশ্বকাপে, আর দুই থেকে ছয় নম্বর দল যাবে বাছাইপর্বে। সেই হিসেবে ষষ্ঠ হওয়ায় বাংলাদেশকেও খেলতে হবে বাছাই ম্যাচ। তবে শর্ত হলো, পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পেতে হবে এই সিরিজে।
বাংলাদেশ চেয়েছিল আগামী বছরের জানুয়ারিতে সিরিজ আয়োজন করতে। কিন্তু এশিয়ান হকি ফেডারেশন (এএইচএফ) জানিয়েছে, সময় আর নেই হাতে। সম্ভব হলে এ বছরের মধ্যেই, এমনকি চলতি মাসেই আয়োজন করতে হবে এই গুরুত্বপূর্ণ লড়াই। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক লে. কর্নেল রিয়াজুল হাসান মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানান, এই তিন ম্যাচের সিরিজকে ধরা হবে এশিয়া কাপের বর্ধিত অংশ হিসেবে।
যেহেতু এটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের নিয়মের আওতায় আসছে, তাই সব আয়োজনও করতে হবে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে। অর্থাৎ প্রটোকল, প্রেসবক্স, আম্পায়ার, কর্মকর্তাদের আনাগোনা সব কিছুই করতে হবে ইন্টারন্যাশনাল হকি ফেডারেশনের (আইএইচএফ) শর্ত মেনে। ফলে আয়োজনের খরচ ও আনুষ্ঠানিকতা সামলাতে গিয়ে চাপের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন।
একদিকে মাঠের প্রস্তুতি, অন্যদিকে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সব মিলিয়ে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে বাংলাদেশ হকিকে। তবে বিশ্বকাপের স্বপ্ন টিকিয়ে রাখতে হলে পাকিস্তানকে হারানো ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই


