ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত– প্রায় ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট দেখা যায়। পরে সাইনবোর্ড এলাকা থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত এলাকা দিয়ে থেমে থেমে চলে যানবাহন। এছাড়া ঢাকা-সিলেটগামী মহাসড়কেও বিভিন্ন অংশে ধীরগতি ও যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পায়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন বাসযাত্রী এবং চালকরা।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, বৃষ্টি ও দড়িকান্দি এলাকায় গাড়ি বিকল হওয়ায় মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রী ও যানবাহন চালকরা দীর্ঘক্ষণ একই স্থানে দাঁড়িয়ে থাকায় অল্প দূরত্বের যাত্রীরা হেঁটেই গন্তব্যে যান।

যাত্রীরা জানান, পূজার ছুটি শুরু হওয়ায় সবাই গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন। সাধারণ দিনে সাইনবোর্ড থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত যেতে যেখানে আধাঘণ্টা সময় লাগে, সেখানে তিন থেকে চার ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে।
যাত্রী তানিয়া আক্তার বলেন, ‘প্রতি বছর পূজার ছুটিতে আমরা গ্রামে যাই। কিন্তু এ বছর যানজট এতো ভয়াবহ যে, কখন পৌঁছাতে পারব সেটি নিয়েই দুশ্চিন্তায় আছি।’
‘যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এতে জ্বালানি খরচ বেড়ে যাচ্ছে, আর মালিকদের চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে’ বলে জানান ট্রাকচালক আমিনুল ইসলাম।
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন জানান, দড়িকান্দি এলাকায় রড বহনের একটি গাড়ি বিকল হওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে ঘরমুখী মানুষের জন্য গাড়িরও দ্বিগুণ চাপ রয়েছে। সাইনবোর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছিল যানজট। যানজট কমতে শুরু করেছে।
কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী জানান, বৈরী আবহাওয়া ও ছুটির কারণে সড়কে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি গাড়ির চাপ বেড়েছে। এতে যানবাহনের গতি কমে গিয়ে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়।


