ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান করপোরেশনের তহবিল নিয়ে জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, সাবেক প্রশাসক দায়িত্ব হস্তান্তরের দিন ডিএনসিসির ২৬টি ব্যাংক হিসাব মিলিয়ে ১ হাজার ২৬০ কোটি ১৫ লাখ ৫১ হাজার টাকা থাকার যে তথ্য উল্লেখ করেছিলেন, তার বড় অংশই বিভিন্ন নির্দিষ্ট তহবিলে ফিক্সড ডিপোজিট হিসেবে সংরক্ষিত।
ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং ঠিকাদারদের বিল পরিশোধ করা হয় সাধারণ তহবিল থেকে।
তিনি বলেন, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের সময় ডিএনসিসির সাধারণ তহবিলে নগদ অর্থ ছিল প্রায় ২৫ কোটি টাকা এবং ফিক্সড ডিপোজিট ছিল ৬৪২ কোটি টাকা, যা জরুরি দায় মেটানোর জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
প্রশাসক আরও জানান, চলতি মাসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ প্রায় ১৩ কোটি টাকা সংরক্ষিত ছিল। তিনি বলেন, ফলে ঠিকাদারদের বিল পরিশোধের জন্য কার্যত অবশিষ্ট ছিল প্রায় ১২ কোটি টাকা।
মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সাবেক প্রশাসকের উল্লেখ করা মোট অর্থের বড় অংশ করপোরেশনের বিভিন্ন নির্দিষ্ট তহবিলে রাখা আছে।
তিনি জানান, এসব তহবিলের মধ্যে রয়েছে জামানত তহবিল, পেনশন তহবিল, শিক্ষা তহবিল এবং জিপিএফ (জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড)।
তিনি বলেন, এসব তহবিলের অর্থ নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত থাকে এবং তা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বা ঠিকাদারদের বিল পরিশোধে ব্যবহার করা হয় না।
ডিএনসিসি প্রশাসক আরও বলেন, সিটি করপোরেশনের আর্থিক অবস্থার বিষয়ে সঠিক তথ্য জনসম্মুখে তুলে ধরা জরুরি। তিনি বলেন, জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতেই এ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।


