অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নির্বাচনের ট্রেনে উঠে গেল।
মঙ্গলবার সকালে ডাকসু নির্বাচনের শুরুর পরপরই তিনি ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে একথা বলেন।
পোস্টে ফুটনোটে তিনি লিখেছেন, ‘ডাকসুর মধ্য দিয়ে ইলেকশনের ট্রেনে উঠে গেল বাংলাদেশ। এরপর চলে আসবে জাতীয় নির্বাচনের ট্রেন। সবাইকে নির্বাচন মোবারক!’
পোস্টের শুরুতেই আগের নির্বাচনগুলোর দিকে ইঙ্গিত করে তিনি লিখেছেন, ‘যে ভোট রাতেই করে ফেলা যায়, সেটা দিন পর্যন্ত রাখা হলো কেনো? সময়ের কাজ সময়ে না করা এই জাতির বড় দুর্বলতা’। -ডাকসু নির্বাচন উপলক্ষ্যে লাইলাতুল ইলেকশনের জননী, ব্যাংক লুটেরা, গুমের মাস্টারমাইন্ড, বিডিআর-পিলখানা-জুলাই ম্যাসাকারের প্রধান পরিকল্পনাকারী, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি খুনি হাসিনা যে কথা বলেনি।

দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের (ডাকসু) ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে চলছে এই ভোটগ্রহণ।
ডাকসু নির্বাচনে মোট ২৮টি পদের বিপরীতে লড়ছেন ৪৭১ জন প্রার্থী, এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৬২ জন। শুধু সদস্যপদেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সর্বাধিক ২১৭ জন প্রার্থী।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলে ১৩টি পদে মোট এক হাজার ৩৫ প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এই নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। যাদের মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৮৭৩ এবং ছাত্রী ১৮ হাজার ৯০২ জন।
ভোটাররা ব্যাগ, মোবাইল ফোন, স্মার্ট ওয়াচ, যেকোনো ধরনের ইলেকট্রিক ডিভাইস, পানির বোতল বা তরল কোনো পদার্থ নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে উমামা ফাতেমার নেতৃত্বে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’, ছাত্রদল সমর্থিত ‘আবিদ-হামিম-মায়েদ পরিষদ’, ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ সমর্থিত ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’, বাম জোট সমর্থিত ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’সহ পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে প্রায় ১০টি প্যানেল অংশ নিচ্ছে।


