ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদকে (ডাকসু) ‘মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা’ বলা জামায়াত নেতা মো. শামীম আহসানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মুহিবুল্লাহ হারুন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে মঙ্গলবার সকালে তাকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা জানানো হয়।
শামীম আহসানকে বেশ কয়েকবার ফোন দেওয়ার পর তিার স্ত্রী উজুফা ফোন ধরে অব্যাহতির তথ্য নিশ্চিত করেন।
চিঠিতে লেখা হয়েছে, ২৫ জানুয়ারি পাথরঘাটায় এক জনসভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে শামীম আহসান বেফাঁস মন্তব্য করেন। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তার ওই বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং এটি দলটির নীতি ও আদর্শের পরিপন্থী।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হলো এবং জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব প্রকার দায়িত্ব থেকে আপনাকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।
এর আগে বরগুনা-২ (বামনা-পাথরঘাটা-বেতাগী) আসনে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদকে (ডাকসু) ‘বেশ্যাখানা’ বলে অভিহিত করেন শামীম আহসান। তারপরই তা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।
ডাকসুকে ‘মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা’ বলা সেই জামায়াত নেতার কুশপুতুল পোড়ান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলও করেন তারা।


