কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া এলাকায় কোস্ট গার্ড ও র্যাবের যৌথ অভিযানে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে আটক রাখা নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে কয়েকজন নারী, পুরুষ ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন বাহারছড়া কচ্ছপিয়া এলাকায় কুখ্যাত মানব পাচারকারী মো. আব্দুল আলী তার নিজ বাড়ির একটি গুদামঘরে আটকে রেখেছে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে রোববার বিকাল ৪টায় কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ, আউটপোস্ট বাহারছড়া ও র্যাবের সমন্বয়ে উক্ত বাড়িতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে গুদামঘরে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে বন্দি রাখা নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৫ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উদ্ধার করা ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপন, উচ্চ বেতনের চাকরি ও অল্প খরচে বিদেশ পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় পাঠানোর পরিকল্পনা করছিল।
পরবর্তীতে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, মানব পাচার রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


