দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের ওপর দিয়ে এখনো মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। উত্তরের হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা পুরোপুরি কাটেনি।
মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এদিন সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড । এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার। টানা পাঁচ দিন ধরে এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে।
এর আগে সোমবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই দিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯২ শতাংশ এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। রোববার তাপমাত্রা নেমে আসে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শনিবার ছিল ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি এবং শুক্রবার চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম ও নীলফামারী জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সকালে পঞ্চগড় জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কনকনে ঠান্ডায় মানুষজন জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের আলো দেখা গেলেও নেই তেমন উত্তাপ। হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, কয়েক দিন ধরেই তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার ওঠানামা করছে। তিনি বলেন, আজও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিন শীতের এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।


