উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় টানা চার দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, রোববার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তার আগের দিন শনিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া শুক্রবার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। যা ছিল চলতি মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, নীলফামারী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
দেশের বিভিন্ন জেলায় কয়েক দিন ধরে চলা শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। উত্তরের হিমেল বাতাস ও কনকনে ঠান্ডায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
সকালে পঞ্চগড়ের বেশ কিছু এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, তীব্র শীতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে কেউ বের হচ্ছেন না। বিভিন্ন মোড়ে ও চায়ের দোকানের পাশে শীত নিবারণের জন্য আগুন জ্বালিয়ে শরীর গরম করছেন শীতার্ত মানুষ। বিদ্যালয়গামী শিশু এবং বয়স্কদের দুর্ভোগ ছিল চোখে পড়ার মতো। দিনমজুর, রিকশাচালক ও খেটে খাওয়া মানুষরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা।


