ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে মুকুল মল্লিক হত্যা মামলায় স্ত্রীসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক গৌতম কুমার ঘোষ এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত ছহিরুদ্দিনের মেয়ে ও নিহত মুকুল মল্লিকের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন, একই গ্রামের বিল্লাল হোসেন ও আলমগীর হোসেন।
ঘটনার পর থেকে আলমগীর হোসেন পলাতক রয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ফারুক হোসেন ও মাসুদ রানা নামের অপর দুই আসামিকে খালাস দিয়েছে আদালত।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৩ আগস্ট রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রী ফিরোজা খাতুনের সঙ্গে মুকুল মল্লিকের ঝগড়া হয়। ওই রাতেই মুকুল বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে ১৩ আগস্ট গোপীনাথপুর গ্রামের বাঘমারা মাঠের একটি ধানখেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুর রশিদ বিশ্বাস হরিণাকুণ্ডু থানায় হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সরকারি কৌঁসুলি আব্দুর রশিদ। আসামি পক্ষে ছিলেন সাদাতুর রহমান, শামিউল ইসলাম ও মো. আশরাফুল আলম জোয়ার্দ্দার।


