ইসরায়েল থেকে মুক্ত হয়ে তুরস্কে নিরাপদে পৌঁছেছেন প্রখ্যাত আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলাম।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, শুক্রবার তুর্কি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ইসরায়েল থেকে ফিরে আসা শহীদুল আলমকে ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশের কনসুল জেনারেল মোহাম্মদ মিজানুর রহমান স্বাগত জানান। শুক্রবারই বিমানে দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে তার। শনিবার ঢাকায় ভোর ৪টা ৫৫ মিনিটে তার ফ্লাইটটি অবতরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে, এ দিন বিকালে প্রেস উইং এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্ত শহিদুল আলমকে বহনকারী একটি ফ্লাইট তুরস্কের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।
এতে বলা হয়, বিকালে ইসরায়েল থেকে ছেড়ে যাওয়া ফ্লাইটটির যাত্রীদের মধ্যে শহিদুল আলম রয়েছেন বলে তুরস্কের সূত্রে জানা গেছে। টিকে-৬৯২১ ফ্লাইটটির স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে ইস্তাম্বুলে অবতরণ করার কথা।
এ দিন সকালে প্রথম দফায় প্রেস উইং জানায়, শহিদুল আলমের মুক্তি ও তাকে ইসরায়েল থেকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানকে পোস্টে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
ইসরায়েলের কারাগারে আটক শহিদুল আলমকে তুরস্কের সহায়তায় মুক্ত করার চেষ্টা চালায় বাংলাদেশ। তুরস্কের কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, যে শুক্রবারই তাকে বিশেষ বিমানযোগে আঙ্কারায় নেওয়া হতে পারে।

শহিদুল আলম দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের নৃশংসতা বন্ধ এবং গাজায় ইসরায়েলি নৌ অবরোধ ভাঙতে যাত্রা শুরু করা ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের বহরে যুক্ত কনসায়েন্স নামে একটি জাহাজে ছিলেন তিনি। যেখানে ছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও অধিকারকর্মীরা।
গত বুধবার ওই নৌবহরে আক্রমণ করে ইসরায়েলি সেনারা। জাহাজ থেকে সবাইকে ধরেও নিয়ে যায় তারা।
শহিদুল আলম আটক হওয়ার পর জর্ডান, মিশর ও তুরস্কে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসকে ওইসব দেশের পররাষ্ট্র দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে মুক্ত করার উদ্যোগ নিতে বলা হয় সরকারের তরফ থেকে।


