জনগণের সম্পর্কই ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের ভিত্তি: দীনেশ ত্রিবেদী

জনগণের সম্পর্কই ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের ভিত্তি: দীনেশ ত্রিবেদী
ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ছবি: এএনআই
Advertisement
Advertisement

অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা ও পারস্পরিক সদিচ্ছার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা দুই দেশের জনগণের সম্পর্কই ভারত ও বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের ‘প্রকৃত স্পন্দিত হৃদয়’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের খবরে বলা হয়, শনিবার ঢাকায় ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। আড়ম্বর ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকদের পাশাপাশি বাংলাদেশি অতিথিরাও অংশ নেন।

সমবেত অতিথিদের উদ্দেশে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আজ আমরা শুধু আমাদের স্বাধীনতার সূচনাকেই উদযাপন করছি না, একই সঙ্গে আমাদের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের স্থায়ী শক্তি এবং আধুনিক ভারতের অসাধারণ অগ্রযাত্রাকেও উদযাপন করছি।’

বক্তব্য দেওয়ার আগে হাইকমিশনার ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর অনুষ্ঠানে ভারতের জাতীয় সংগীত এবং ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশিত হয়।

বক্তব্যে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, উদ্ভাবন, সহনশীলতা এবং নাগরিকদের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার শক্তিতে ভারত ক্রমবর্ধমান গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদেরও দেশের এই চলমান অগ্রযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের শিকড় গভীরভাবে পরস্পরের সঙ্গে জড়িত। অভিন্ন ইতিহাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারত্বের দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমেই বিকশিত হচ্ছে।’

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আমাদের দেশ উদ্ভাবন, সহনশীলতা এবং নাগরিকদের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার শক্তিতে অভূতপূর্ব গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এখানে প্রাণবন্ত ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্য হিসেবে আপনারাও এই অসাধারণ যাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমরা যখন আমাদের স্বাধীনতা উদযাপন করছি, তখন বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের বিশেষ সম্পর্কের বিষয়টি স্মরণ করাও যথাযথ।’

‘আমাদের দুই দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের শিকড় গভীরভাবে পরস্পরের সঙ্গে জড়িত। অভিন্ন ইতিহাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারত্বের এই শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে সম্পর্কটি আরও বিকশিত হচ্ছে। বাণিজ্য ও যোগাযোগ থেকে শুরু করে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন খাতে আমরা আমাদের অংশীদারত্ব এগিয়ে নিচ্ছি’, যোগ করেন তিনি।

দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘আমরা স্বীকার করি, অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা ও পারস্পরিক সদিচ্ছার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগই এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রকৃত স্পন্দিত হৃদয়।’

ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে ভারতের অগ্রগতি, ঐক্য ও অভিন্ন সমৃদ্ধির প্রতি নতুন করে অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান দীনেশ ত্রিবেদী।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad