আগামী ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সম্ভাব্য নাশকতা, অপ্রীতিকর ঘটনা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা মোকাবিলায় রাজধানীজুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা ছাড়াও চেকপোস্ট জোরদার, গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো এবং বিশেষায়িত ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাজধানীজুড়ে পিকেট ও চেকপোস্ট ডিউটি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে মহানগরের সব প্রবেশপথে তল্লাশি কার্যক্রম ও চেকপোস্ট পরিচালনা জোরদার থাকবে। একই সঙ্গে ডিবি ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সদস্যরা সাদা পোশাকে গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুগুলোতে দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ছাড়া যেসব স্থানে সাধারণ মানুষের সমাগম বেশি হবে, সেখানে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে বিশেষ সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সব অনুষ্ঠানস্থল ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ এলাকাকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় এনে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ (সিটিএসবি) ও আইএডির গোয়েন্দা কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে।
ডিএমপি জানায়, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি তাৎক্ষণিক মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নিয়মিত মোতায়েনের পাশাপাশি ডিএমপির অতিরিক্ত ফোর্সের সঙ্গে র্যাব ও সিআইডিও যৌথভাবে মহানগরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে সক্রিয় থাকবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ডিএমপির ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা সরাসরি মাঠে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব তদারকি করবেন।


